ডাক্তারদের জেনারেল ক্যাডারে পরীক্ষা বিষয়ক তথ্য

ডাক্তারদের জেনারেল ক্যাডারে পরীক্ষা দেয়া নিয়ে অল্প কথা যা অবশ্যই জানা উচিৎ ।

BY——aryan ahmed
Assistant commissioner of taxes

ডাক্তারদের জেনারেল ক্যাডারে বিষয়ক তথ্যঃ

যারা জেনারেল ক্যাডারে পরীক্ষা দিতে চাও তাদের প্রথম কাজ হচ্ছে আগে নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা। এই পরীক্ষার প্রস্তুতি মেডিকেলের ফাইনাল প্রফের প্রস্তুতি বা এফসিপিএস পার্ট-১ এর প্রস্তুতির চেয়ে অনেকটা সহজ,শুধু নিজেকে আর স্টাডিতে সময় দিতে হবে ।

যারা দেশে ডাক্তারি করতে চায় তাদের অর্থনৈতিক ব্যাকগ্রাউণ্ড শক্ত না হলে বিসিএস না দেয়াটা বোকামি । এফসিপিএস পার্ট-১ হওয়ার চেয়ে বিসিএস হেলথ হওয়াটাও অনেকটা জরুরী । যাদের ওপর পরিবারের নির্ভরতা আছে তাদের জন্য তো কথাই নেই । নিজে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ থাকতে হবে ।

তুমি পারবে মানে পারবে, আর পারবে না মানে পারবে না । অন্য কারো উড়ো কথা না শুনে নিজের মতো প্রস্তুতি নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ । শুরুতে বিগত বছরের সকল প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলেই বুঝতে পারবে কেমন প্রশ্ন হয়, কি কি বেশি আসে, অন্তত ধারণাটা হবে ।

যেকোনো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আগে পরীক্ষার সিলেবাস, নাম্বার বণ্টন আর সাধারণত কেমন নাম্বার পেলে সফল হওয়া যায় এটা জানতে পারলে ভালো । পরীক্ষার নাম্বার বণ্টন টা দেখে একটা রুটিন করে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করতে পারলে ভালো ।

যেকোনো জ্ঞানই কোন না কোনভাবে কাজে আসবে । প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালমতো নিলে সেটা লিখিত পরীক্ষায় কাজে আসবে । এরপর শুরুতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য যেকোনো একটি গাইড বই যেমন এম পি ৩, আসিউরেন্স, অরাকল এই টাইপের একটা বই রিডিং দিয়ে ফেলো ।

পারবা কি পারবা না, মনে থাকবে কি থাকবে না এসব ভাবার সময় তোমার নেই । তুমি তোমার কাজ করে যাও, যখনই সময় পাবা স্টাডিতে সময় দাও । কাজে আসবে, খুব কাজে আসবে । ধাপে ধাপে চিন্তা করলে ভালো, আগে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নিয়ে ভাবো ।

৩৯ তম যারা দিচ্ছ ভালো, একবার ক্যাডার হলেও আবার পরীক্ষা দেয়া যায় এবং ক্যাডার পরিবর্তন করা যায় । সামনে প্রতিটা পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত লিখবো । ভালো থেকো সবাই, GOOD LUCK GUYS.