বাংলাদেশের ভৌগোলিক কিছু তথ্যাবলী

বাংলাদেশের ভৌগোলিক কিছু তথ্যাবলীতে একটু চোখ বুলিয়ে নেয়া যাকঃ
=======================
=> বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান
————————————–
১. আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত- ৯০তম।
২. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা কোনটি- নারায়ণগঞ্জ।
৩. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি- রাঙ্গামাটি (এর পূর্বনাম হরিকেল)।
৪. জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা কোনটি – বান্দরবন
৫. বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের থানা কোনটি- শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
৬. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের থানা কোনটি- তেতুলিয়া
৭. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের থানা কোনটি- টেকনাফ
৮. বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের থানা কোনটি- থানচি
৯. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিমের থানা কোনটি- শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)।ইহা আয়তনে সবচেয়ে বড় উপজেলা।
১০. বাংলাদেশের সর্ব উত্তর-পূর্বের থানা কোনটি- জকিগঞ্জ
১১. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের গ্রাম কোনটি- জায়গীরজোত
১২. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান কোনটি- বাংলাবান্ধা
১৩. ভাতশালা ও কোমরপুর সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত – সাতক্ষীরা
১৪. বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যান্সারের উপর অবস্থিত।
১৫. বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার সীমানা পরস্পর ছুঁয়েছে রাঙ্গামাটি।
১৬. বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিম বঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় অবস্থিত।
================
=> বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিঃ
=================
১. সমুদ্র সমতল থেকে বাংলাদেশের কোন জেলা সবচেয়ে উচুঁতে – দিনাজপুর ( ৩৭.৫০মিটার)
২. বাংলাদেশের পাদদেশীয় সমভূমি এলাকা কোনটি- রংপুর-দিনাজপুর
===============
=> আবহাওয়া ও জলবায়ুঃ
===============
১. বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
২. কোন ঋতুকে ‘স্বতন্ত্র ঋতু’ বলা হয়ে থাকে- বর্ষা
৩. কোনটি বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস- এপ্রিল
৪. বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অন্যতম বেশিষ্ট্য কি – কালবৈশাখী ঝড় ও প্রচুর বৃষ্টিপাত
৫. ঘূর্নিঝড় ও দুয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একমাত্র পূর্বাভাস কেন্দের নাম স্পারসো। ইহা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন।
৬. বাংলাদেশে আবহাওয়া কেন্দ্র রয়েছে ৩৫টি। এদের মধ্যে ৩টি কেন্দ্রে রাডার রয়েছে(ঢাকা, খেপুপাড়া ও কক্সবাজার)
৭. বাংলা সনের শ্রাবণ মাসটি কোন নক্ষত্রের নামানুসারে নয়।
=========
=> ছিটমহলঃ
=========
১. ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহলের সংখ্যা ৫১টি। বাংলাদেশে ভারতের ১১১টি।বাংলাদেশের লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রামে ভারতের ছিটমহলগুলো অবস্থিত।
২. দহগ্রাম ছিটমহল কোথায় অবস্থিত – লালমনির হাট জেলার পাটগ্রাম থানায়
৩. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ছিটমহল – দহগ্রাম-আঙ্গুরপোতা(লালমনির হাট)
৪. ভারত বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডোর হন্তান্তর করে কবে?- ২৬ জুন’১৯৯২
৫. মশালডাঙ্গা ছিটমহল কোথায় অবস্থিত – কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারি উপজেলায় (বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ৪০ গজ ভারতের ভিতরে)
৬. ফুলবাড়ি , রৌমারি, বোয়ালমারি কুড়িগ্রামে অবস্থিত।
৭. নলিতাবাড়ি শেরপুরে অবস্থিত।
=============
=> বাংলাদেশের চরঃ
=============
১. নির্মল চর কোথায় অবস্থিত- রাজশাহী জেলায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে।
২. দুবলার চর কোথায় অবস্থিত- সুন্দরবনের দক্ষিণে
৩. পাটনির চর কোথায় অবস্থিত- সুন্দরবনে
৪. উড়ির চর কোথায় অবস্থিত- সন্দ্বীপ (পূর্বে হাতিয়া থানার অন্তর্ভূক্ত ছিল)
৫. চর কুকড়ি মুকড়ি কোথায় অবস্থিত- ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানায়
৬. মুহুরীর চর কোথায় অবস্থিত- ফেনী জেলায়
৭. বাংলাদেশের কোন নদীতে চরের সংখ্যা বেশি- যমুনা নদীতে
==============
=> বাংলাদেশের দ্বীপঃ
==============
১. নিঝুম দ্বীপের আয়তন কত?- ৯১ বর্গ কিমি (পূর্ব নাম বাউলার চর বা বালুয়ার চর) (নাকি কমলার চর)
২. সেন্টমার্টিন দ্বীপের: বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ (সর্বদক্ষিণের স্থান সেন্টমার্টিনের ছেড়াদ্বীপ)। অপর নাম জিনজিরা। আয়তন কত- ৮ বর্গকিমি ।
১০. আদিনাথ মন্দিরটি কোন দ্বীপে অবস্থিত- মহেশখালী
১১. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালী।
১২. কৃত্রিম উপায়ে বঙ্গোপসাগরে চর জাগানো সম্ভব কিভাবে- ক্রস ড্যাম পদ্ধতিতে
১৩. ছেঁড়াদ্বীপের আয়তন কত- ৩ বর্গকিমি
১৪. বঙ্গোপসাগরে সেন্টমার্টিনের কাছে জেগে উঠা নতুন দ্বীপটির নাম গোলাচর।
১৫. দেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি- সুন্দরবন
১৬. অসংখ্যা দ্বীপ নিয়ে গঠিত বনাঞ্চল কোনটি- সুন্দর বন
১৭. সোনাদিয়া দ্বীপ কক্সবাজারের পশ্চিমে অবস্থিত।
১৮. পর্তুগীজরা কোন দ্বীপে বসবাস করত- ভোলার মনপুরা দ্বীপে
১৯. টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের অংশটুকুর নাম বাংলা চ্যানেল।
২০. ভোলাদ্বীপ: বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ। তজমদ্দিন দ্বীপ ভোলায় অবস্থিত।
২১. ভারতের নৌবাহিনী কবে জোর পূর্বক বে-আইনী ভাবে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নেয়- ১৯৮১ সালে।
২২. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের: আয়তন কত?- ৮ বর্গ কিমি (দৈর্ঘে ৩.৫কিমি ও প্রসে’ ৩কিমি)। অপর নাম পূর্বাশা বা নিউমুন, ভারত এ নাম দেয়।
=========
=> বন্দরঃ
==========
১. কত বছর আগে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ বছর আগে
২. সমুদ্র বন্দরের অপর নাম কি- সামুন্দা, সেটগাং (আরব বণিকদের কাছে), পোর্টগ্রান্ডি (পর্তুগীজ নাবিকদের কাছে)
৩. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় কবে- ১৯৪৭ সালে
৪. মংলা বন্দরে একসঙ্গে কতটি জাহাজ ভিড়ানো সম্ভব- ৩৪টি (জেটির সংখ্যা ৫টি)।স্থাপিত ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর। ইহা পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
৫. বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর কোনটি- নারায়নগঞ্জ
৬. সাতক্ষীরায় অবস্থিত একমাত্র স্থল বন্দর কোনটি- ভোমরা
৭. এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম স্থলবন্দর কোনটি- বেনাপোল
৮. বিবির বাজার স্থলবন্দরটি কোন জেলায় অবস্থিত- কুমিল্লা
৯. সমুদ্র বন্দর সংকেত ১১টি এবং নদীবন্দর সংকেত ৪টি।
============
=> পাহাড়/পর্বতঃ
==========
১. বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ গঠিত হয় টারশিয়ারী যুগে।
২. বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ আরাকান ইয়োমা পর্বতের অংশ।
৩. চন্ডীমুড়া টিলা কোথায় অবস্থিত- লালমাইতে
৪. বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের গড় উচ্চতা- ৬১০ মিটার
৫. কেওক্রাডং এর উচ্চতা ১২৩২ মিটার।বান্দরবনে অবস্থিত। রাঙামাটির সাইচল পর্বত সারির অন্তভূর্ক্ত।
৬. তাজিংডং এর উচ্চতা ৩১৮৫ ফুট বা ১২৮০ মিটার। বান্দরবনে অবস্থিত। রাঙামাটির সাইচল পর্বত সারির অন্তভূর্ক্ত।
৭. এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাঙালী নারী শিপ্রা মজুমদার।
৮. বাংলাদেশের উচু পাহাড় গারো পাহাড়।
৯. দেব পর্বত ময়নামতি পাহাড়ে অবস্থিত।
===========
=> খনিজ সম্পদঃ
===========
প্রাকৃতিক গ্যাস:
—————
১. বাংলাদেশ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু করে ১৯৫৭ সালে। প্রথম গ্যাস পাওয়া যায় হরিপুরে।
২. তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়?-১৯৬১সালে
৩. বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে- ২৫টি (সর্বশেষ ভাঙ্গুরা) (এপ্রিল’০৯)
৪. বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদের পরিমান কত- ২৮.৪ টিএফসি (উত্তোলন যোগ্য ১৫.১৯টিএফসি)
৫. বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র কোনটি- তিতাস
৬. প্রাকৃতিক গ্যাসের কত ভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়- ৪৬.৬৩ ভাগ (সার কারখানায় ২১.৭ভাগ)
৭. কোন সাল থেকে বাংলাদেশ ভূখন্ডে তেল গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয়- ১৯১০ সাল
৮. হরিপুর তেল আবিষকৃত হয় ১৯৮৬ সালে।
৯. মাগুড়ছড়া গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত- মৌলবীবাজার (কমলগঞ্জ)
১০. টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ড কোন জেলায় অবস্থিত- সুনামগঞ্জে
১১. দেশে কোন গ্যাসক্ষেত্রে প্রথম অগ্নিকান্ড হয়- মাগুরছড়া
১২. সেমুতাং গ্যাস ফিল্ড কোথায়- মানিকছড়ি, খাগড়াছড়ি
১৩. কামতা, কান্ত গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায়- গাজীপুর
১৪. ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে কে- বাপেক্স
১৫. বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষকৃত হয় কবে- ১৯৯৮ সালে
১৬. ঢাকায় সরবরাহকৃত গ্যাস কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে- তিতাস
১৭. জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের হিসাবে গ্যাসের সিস্টেম লস ৪০%।
১৮. প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখন্ডকে ২৩টি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে।
১৯. বাংলাদেশে সিএনজি জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার শুরু করে ১৯৮২ সালে।
———–
কয়লা:
———–
২০. কোন কয়লা খনিতে দস্তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে- দিনাজপুরের মধ্যপাড়া
২১. হীরক ও স্বর্ণ প্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে কোথায়- বড় পুকুরিয়ায়
২২. বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি কত সালে আবিষকৃত হয়- ১৯৮৫ সালে
২৩. ফুলবাড়িয়া কয়লা খনিতে বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়।
২৪. উন্নমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া যায় জামালগঞ্জে।
——–
তেল:
——–
২৫. প্রধান তেল ক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত- গোয়ানঘাটের হরিপুরে
২৬. দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছে- মৌলবীবাজার জেলার বরমচলে
—————-
অন্যান্য খনিজ:
—————–
২৭. কোথায় গন্ধক পাওয়া গেছে- চট্টগ্রামের কুতুবদিয়ায়
২৮. কোথায় ইউরিনিয়াম পাওয়া গেছে- মৌলবীবাজারের কুলাউড়া পাহাড়ে ১৯৯৪ সালে
২৯. বাংলাদেশের মাটিতে কিসের আধিক্য দেখা যায়- অ্যালুমিনিয়াম
৩০. বাংলাদেশের কোথায় তেজস্ক্রিয় বালি (কালো সোনা) আছে- কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে (বদর মোকাম ও টেকনাফ)
৩১. চীনামাটির মজুদ আছে ময়মনসিংহের বিজয়পুরে। আরো আছে রাজশাহীর পত্নীতলায়, চট্টগ্রামের পটিয়ায়।
৩২. কাঁচবালির সর্বাধিক মজুদ সিলেটে।
৩৩. মধ্যপাড়ার কঠিন শিলা খনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরে অবস্থিত।
৩৪. সুরমা বেসিন খনিজ সম্পদের জন্য বিখ্যাত। ৯ বেঙ্গল বেসিন হল বাংলাদেশ ভূ-গর্ভস্থ গঠন কাঠামো।
======
=> ঝর্ণাঃ
======
১. শীতল পানির ঝর্ণার অবস্থান – হিমছড়ি, জাফলং
২. হিমছড়ি ঝর্ণার কাছে মূল্যবান কি খনিজ পাওয়া গেছে? – সিলিকন
৩. মাধবকুন্ড জলপ্রপাত কোথা থেকে উৎপন্ন হয়েছে – মৌলবীবাজার জেলার বড়লেখা থানার পাথরিয়া পাহাড় হতে (পানি পড়ে ২৫০ ফুট উপর থেকে)।
৪. রিছাং ঝর্ণা’ কোথায় অবস্থিত – আলুটিলা, খাগড়াছড়ি
৫. চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে উষ্ণ প্রস্রবণ।
=====
=> হ্রদঃ
=====
৬. বান্দরবান কেরানী হাট সড়কের সন্নিকটে কোন হ্রদের অবস্থান – প্রান্তিক লেক
৭. ফয়সলেক নির্মিত হয় কত সালে – ১৯২৪ সালে
======
=> নদীঃ
======
১. বাংলাদেশের ছোট বড় নদীর সংখ্যা ২৩০টি এর মধ্যে ৫৭টি আন্তর্জাতিক যার ৫৪টির উৎপত্তি ভারতে এবং ৩টি মায়ানমারে।
২. ব্রহ্মপুত্র নদ: বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী। কোথায় যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে বিভক্ত হয়েছে – দেয়ানগঞ্জের নিকটে। এ নদের উৎপত্তি হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবরে। উৎপত্তিস’লে নাম সাংপো।বাংলাদেশে প্রবেশ করে কুড়িগ্রামের ভিতর দিয়ে। ব্রহ্মপুত্র নদের পুরাতন প্রবাহ ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকটে মেঘনায় পতিত। ভূমিকম্পের কারণে ১৭৮৭ সালে কোন নদীর স্রোত পরিবর্তন হয়ে যমুনা নদী হয় – পুরাতন ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র নদীর পূর্ব নাম কি – লৌহিত্য। ধবলা ও দুধকুমার কোন নদের উপনদী- ব্রহ্মপুত্র নদের। বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘপথ অতিক্রম করেছে। দৈর্ঘ্যের দিক দিয়ে এই নদীর অবস্থান বিশ্বে ২২তম (২৮৫০কিমি)।
৩. পদ্মা: এ নদীর অপর নাম কীর্তিনাশা। পদ্মা নদীর উৎপত্তি স্থল গঙ্গোত্রী হিমবাহ। কুমির সদৃশ ঘড়িয়াল দেখা যায় কোথায় – পদ্মনদীতে। পদ্মা মেঘনার সাথে মিশেছে চাঁদপুরে। পদ্মার শাখা নদী হল ইছামতি, গড়াই, ভৈরব, কুমার, আড়িয়ার খাঁ।পদ্মার একমাত্র উপনদী মহানন্দা। পদ্মা বাংলাদেশের সবচেয়ে নাব্য নদী।
৪. যমুনা: নদীর পূর্ব নাম কি – জোনাই। যমুনা নদী পদ্মা নদীতে পতিত হয় গোয়ালন্দে (+ব্রহ্মপুত্র সাথে)
৫. মেঘনা: বরাক নদী সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়েছে সিরেট জেরার অমলশিদে।পুনরায় মিলিত হয়েছে মারকুলির নিকটে কালনি নামে।মেঘনার উপনদী তিতাস, গোমতী, মনু, বাউলাই।
৬. বাংলাদেশ ভারত নদী কমিশন গঠিত হয় কবে – ১৯৭২ সালে
৭. বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী সুরমা (৩৯৯কিমি)। কিন্তু সমপ্রতি এক তথ্যমতে মেঘনা।
৮. ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী – বুড়িগঙ্গা
৯. বুড়িগঙ্গা নদীর পূর্বনাম কি – দোলাই নদী । ঢাকা শহরকে রক্ষা করার জন্য বুড়িগঙ্গার তীরে ব্যাকল্যান্ড বাঁধ দেয়া হয়। (মোঘল আমলে দেয়া হয় পোস্তাহবাঁধ)
১০. হালদা নদীর উৎপত্তি কোথায় – খাগড়াছড়ির বদনাতলী পর্বতমালায়
১১. বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি এবং সমাপ্ত নদী সাঙ্গু ও হালদা।
১২. বাংলাদেশের কোন নদীর নাম মানুষের নামে রাখা হয়েছে – রূপসা (রূপলাল সাহার নামে)
১৩. বাংলাদেশের কোন নদীতে জোয়ার ভাটা হয় না – কুমিল্লার গোমতী নদীতে
১৪. এক কিউসেক বলতে কি বুঝায় – প্রতি সেকেন্ডে এক ঘনফুট পানির প্রবাহ
১৫. মহিলা নদী কোন জেলায় অবস্থিত – দিনাজপুর
১৬. কারখানা নদী কোন জেলায় অবস্থিত – পটুয়াখালী
১৭. তেতুলিয়া নদী কোথায় অবস্থিত – বাউফল, পটুয়াখালী
১৮. সুন্দরবনের পূর্বে কোন নদী – বলেশ্বর
১৯. সুন্দরবনের পশ্চিমে কোন নদী – রায়মঙ্গল
২০. চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম – আত্রাই
২১. বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট নদী – গোবরা (তেঁতুলিয়া), ৪ কিমি।
২২. রংপুর জেলার উল্লেখযোগ্য নদনদী – তিস্তা, ঘাঘট, যমুনেশ্বরী, করতোয়া, চিকলী
২৩. নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় – ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হারুকান্দিতে (১৯৭৭)
২৪. বর্তমানে ঢাকা কতটি নদী দ্বারা বেষ্টিত – ৫টি (দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা,পশ্চিমে তুরাগ, পূর্বে বালু ও শীতলক্ষা, উত্তরে টঙ্গী খাল বা টঙ্গী নদী)
২৫. জাফরাবাদ জলমহাল যে নামে পরিচিত – পদ্মা-মহানন্দা অভয়াশ্রম
২৬. বাংলাদেশ মায়ানমার অভিন্ন নদী ৩টি। বাংলাদেম মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদীর নাম নাফ নদী। (দৈর্ঘ্য ৫৬কিমি)।মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে নাফ, সাঙ্গু ও সানকা।
২৭. দক্ষিণ তালপট্টি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। (বাংলাদেশ ভারতকে বিভক্তকারী নদী)
২৮. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার সম্মিলিত নদীর অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন-র্গত- ৩৩%।
২৯. ফারাক্কা বাধঁ বাংলাদেশের সীমান- থেকে ১৬.৫ কিমি দূরে অবস্থিত।
৩০. ভারত-বাংলাদেশের নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য দু’দেশের নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষাকরা।
৩১. গঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ বৃদ্ধিও জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাব নেপালে জলাধার নির্মাণ।
৩২. কুয়কাটা সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১৮কিমি।
৩৩. বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী মেঘনা।
৩৪. মহানন্দা: বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশ করা একমাত্র নদী। উপনদী পূণর্ভবা, নাগর, কুলিখ, টাঙ্গন।
৩৫. কর্ণফুলী: নদীর উৎস মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
৩৬. নদী পয়স্তি হল নদীর চরে নতুন করে চাষাবাদ করে যারা।
===========
=> বিল ও হাওড়ঃ
===========
১. চলনবিল পাবনা ও নাটোর জেলায় অবস্থিত।
২. বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর সিলেট জেলার হাকালুকি।
৩. টাঙ্গুয়ার হাওড় সুনামগঞ্জে অবস্থিত।
=================
ভালো লাগলে….
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবেন। ধন্যবাদ!!